পাতা

পরিচিতি ক্লাস

সিস্কুলে আজকে তোমার প্রথম ক্লাস। ক্লাসে আসার পর তোমার প্রথম কাজই হচ্ছে বাকি সবার সাথে পরিচিত হয়ে নেয়া। নইলে তুমি ক্লাস করবে কিভাবে? যেহেতু তুমি আর কিছুদিন পরেই প্রোগ্রামার হয়ে যাবে, তাই সবার সাথে পরিচয়ও প্রোগ্রাম দিয়েই করতে হবে। আপাতত খুব বেশি কিছু বোঝার দরকার নেই। ঝটপট তাহলে আমরা আমাদের প্রথম প্রোগ্রাম লিখে ফেলি:


যদি তুমি কোড ব্লকস ব্যবহার করো, তাহলে ওপরের কোডটুকু হুবহু লিখে Build মেনুতে গিয়ে Compile সিলেক্ট করো অথবা Ctrl + Shift + F9 চাপো। আর C4droid ব্যবহার করলে স্ক্রিনের নিচের দিকে Compile বাটন চাপো। যদি তুমি ঠিকঠাক মত সবটুকু অংশ লিখে থাকো, তাহলে কোডব্লকসে নিচের দিকে নীল রংয়ে দেখা যাবে 0 Error, 0 Warning. আর C4droid এ দেখা যাবে Successfully Compiled. এটুকু ঠিকঠাক মত করতে না পারলে সামনে এগোনোর প্রয়োজন নেই। তুমি তোমার দোভাষীর সাথে শুদ্ধ বাংলায় যদি কথাই না বলতে পারো তাহলে সে অন্য ভাষায় অনুবাদ করবে কিভাবে? এখানেও তেমনই। বারবার চেষ্টা করে ভুলটুকু খুঁজে বের করো। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নাও।

সিস্কুলে ভর্তি

একটা আরবী প্রবাদ আছে, বিদ্যাশিক্ষার জন্য সুদূর চীনদেশে যাও। ধরা যাক, তুমি বিদ্যাশিক্ষার জন্য খুব আগ্রহী হয়ে এই প্রবাদটা মেনে চীনদেশে চলে গেলে পড়াশোনা করতে। সেখানে গিয়ে একটা স্কুলে ভর্তি হলে। কিন্তু, গোল বাঁধলো কথা বলা নিয়ে। তুমি কথা বলো খাস বাংলায় – আইছি, খাইছি, গেছি। আর তোমার ক্লাসের সবাই কথা বলে খাস চাইনিজে – ওয়াং চুং ফুচুং ফাং। 

তুমি তো পড়লে মহা ফ্যাসাদে! কারও সাথে কথাই বলতে পারছো না। তুমি তোমার বন্ধুকে জিজ্ঞেস করছো, লাইব্রেরিটা কোথায়। সে তোমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। কী করা যায়? তুমি তখন দুটো কাজ করতে পারো। একটা হচ্ছে তুমি চাইনিজ ভাষাটা শিখে ফেলতে পারো। কিন্তু, সেটা অনেক ঝামেলার কাজ। চাইনিজ ভাষায় হাজার হাজার অক্ষর। লক্ষ লক্ষ শব্দ। সে ভাষায় কথা বলার মত কঠিন কাজ বুঝি দুনিয়াতে দ্বিতীয়টা নেই! সুতরাং, সেটা বাদ। অন্য যে কাজটা তুমি করতে পারো সেটা হচ্ছে, একটা দোভাষীর সাহায্য নিতে পারো। যে বাংলাও জানে আবার চাইনিজও জানে। তুমি তাকে বাংলায় একটা কাজের কথা বলবে আর সে সেটাকে চাইনিজে অনুবাদ করে তোমার বন্ধুকে জানিয়ে দেবে।